28.7 C
New York
Friday, August 12, 2022

একরাতের জন্য বড় পুরুষাঙ্গই পছন্দ মেয়েদের!

যৌনাঙ্গের দৈর্ঘ্য বৃদ্ধিতে বহু প্রযুক্তি ও চিকিৎসার সাহায্য নিয়ে থাকেন পুরুষরা। কারণ সকলেরই ধারণা বড় পুরুষাঙ্গ যৌন মিলনের সময় অতিরিক্ত সুখানুভূতি দিতে পারে তার পার্টনারকে।

আর এই ধারনাকে ব্যবসা করেই বাজারে রমরমিয়ে চলছে বহু প্রোডাক্ট। কখনও তা ফল দেয়, কখনও দেয়না। কিন্তু পুরুষদের চেষ্টা চলতেই থাকে।

https://usbanglanews.com/%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a7%9f%e0%a7%87-%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%ae%e0%a6%a8-%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%97%e0%a7%87-%e0%a6%ae%e0%a7%87%e0%a7%9f/

যদিও গবেষণায় দেখা গিয়েছিল ভালো যৌন মিলনে ‘সাইজ ডাস নট ম্যাটার’। কিন্তু নয়া সমীক্ষা বলছে বিষয়টি এতটাও সহজ নয়৷ দেখা যাচ্ছে সম্পর্কের নিরিখে পুরুষাঙ্গের দৈর্ঘ্যের ক্ষেত্রেও পছন্দ বদলায় মহিলাদের।

সমীক্ষা চালানোর সময় বেশকিছু মহিলাকে দেওয়া হয়েছিল 3D printed রাবারের পুরুষাঙ্গ। যাদের দৈর্ঘ্য ছিল চার ইঞ্চি থেকে ন’ইঞ্চির মধ্যে। তাদের বলা হয়েছিল একরাতের যৌন মিলন ও দীর্ঘদিনের সম্পর্কের ক্ষেত্রে কোনও সাইজের পুরুষাঙ্গ পছন্দ করবেন তারা, তা চিহ্নিত করতে।

আর সেই সমীক্ষাতেই দেখা গিয়েছে, একরাতের যৌন মিলনের ক্ষেত্রে বড় দৈর্ঘ্যের পুরুষাঙ্গই পছন্দ করেছেন বেশির ভাগ মহিলা।এমনকি দেখা গিয়েছে দৈর্ঘ্যের চেয়েও মহিলাদের বেশি নজর প্রস্থের দিকে।

নারীর স্তনবৃন্ত সম্পর্কে ৮ অজানা তথ্য, যা হয়তো চিন্তাও করেননি

স্তনের আকার ও আয়তন এক এক শরীরে একেক রকম হয়। ঠিক তেমনই স্তনবৃন্তও বিভিন্ন ধরনের হয়। অনেক সময় এই স্তনবৃন্ত দেখেই বোঝা যায় নারী-শরীরে ক্যানসার বা অন্য কোনও রোগ বাসা বেঁধেছে কি না।

স্তনবৃন্ত বলতে যা বোঝায় তার দু’টি অংশ রয়েছে, এরিওলা এবং নিপলস। নিপলস বা স্তনবৃন্ত সব নারী-শরীরে একই রকম হয় না। নীচে রইল স্তনবৃন্ত সম্পর্কে ৮টি তথ্য যা হয়তো জানতেন না—

১) কেশজ : স্তনবৃন্তের আশপাশে ছোট ছোট রোম বা কেশ থাকা খুবই কমন প্রাপ্তবয়স্ক মহিলাদের মধ্যে। তবে যাঁদের পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোম রয়েছে তাঁদের স্তনবৃন্তে কেশ থাকে বেশি।

 নেশার কারণেই অসম্পূর্ণ থেকে গেল প্রেম, রইল সেই গল্প

২) তৃতীয় বৃন্ত : বিশ্বাস না হলেও সত্যি। নারী শরীরে অনেক সময়েই থার্ড নিপল বা তৃতীয় বৃন্ত দেখা যায়। তবে এই তৃতীয় বৃন্তটি সব সময় বুকেই না-ও থাকতে পারে। অনেক সময়েই এই তৃতীয় বৃন্তটি মুখে অথবা শরীরের অন্য অংশেও দেখা যায়। এটি অত্যন্ত বিরল ঘটনা তবে ঠিক কী কারণে এটি হয় তা এখনও জানা যায়নি।

৩) বাম্পস : স্তনবৃন্তের উপরে ছোট ছোট বাম্পস থাকে যা একেবারেই স্বাভাবিক। এগুলি হল মন্টগোমারি গ্ল্যান্ডস। এই গ্ল্যান্ড থেকেই এক ধরনের তেল নিঃসৃত হয় যা স্তনবৃন্তকে নরম রাখে।

৪) ইনভার্টেড : স্তনবৃন্তে স্পর্শ করলে তা জেগে ওঠে কারণ বেশিরভাগ নারী-শরীরে স্তনবৃন্ত বহির্মুখী। কিন্তু অনেকের শরীরেই তা অন্তর্মুখী। যাঁদের অন্তর্মুখী স্তনবৃন্ত থাকে তাঁদের স্তন্যদান করতে সমস্যা হয়। নিয়মিত ব্রেস্ট মাসাজ করলে এই সমস্যা দূর হতে পারে।

৫) দীর্ঘ : অনেক নারী-শরীরেই স্তনবৃন্ত স্বাভাবিকের থেকে বেশি দীর্ঘ হয়। এই ধরনের স্তনবৃন্ত স্তন্যদানের পক্ষে আদর্শ।

৬) বিরাট : অনেক সময়ই অ্যারিওলা অনেকটা ছড়ানো হয়। অ্যারিওলা ব্যাসার্ধে কতটা বড় হবে তা স্তনের আকার-আয়তনের উপর নির্ভর করে না। অনেক সময়ে ছোট স্তনের ক্ষেত্রেও অ্যারিওলা বড় হতে পারে যা একেবারেই স্বাভাবিক।

৭) ছোট : অ্যারিওলা, স্তনবৃন্ত এবং স্তনের আকার-আয়তন কেমন হবে তা অনেকটাই জিনগত। অনেক নারী-শরীরেই স্তনের আকার ছোট হয়। পাশাপাশি অ্যারিওলা এবং নিপলও অপেক্ষাকৃত ছোট হয়। জিনগত কারণ ছাড়াও কিশোরী বয়সে ঠিকমতো পুষ্টির অভাব বা হরমোন নিঃসরণ কম হলেও এমনটা হতে পারে।

৮) স্ফীত : স্তনবৃন্ত উত্তেজিত হলে তা দীর্ঘ হয়। কোনও কোনও নারী-শরীরে দীর্ঘায়ত স্তনবৃন্ত স্বাভাবিকের তুলনায় অনেকটা বেশি স্ফীতও দেখায়। এর পিছনেও জিনগত কারণ রয়েছে এবং এটিও একেবারেই স্বাভাবিক।

Facebook Comments Box

Related Articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

- Advertisement -

Latest Articles