15.1 C
New York
Monday, October 25, 2021

পরীক্ষামূলকভাবে ৪ জনের শরীরে করোনার ভ্যাকসিন প্রয়োগ

মারণ ভাইরাস করোনা থেকে সুরক্ষায় প্রতিটি দেশই নিজেদের মতো করে ব্যবস্থা নিচ্ছে। তারই জের ধরে যুক্তরাষ্ট্রে প্রথমবারের মতো পরীক্ষামূলকভাবে ৪ জনের শরীরে করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন প্রয়োগ করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) আন্তর্জাতিক সংবাদসংস্থা এপি জানায়, নতুন করোনভাইরাস (কোভিড-১৯) সংক্রমণ থেকে রক্ষার জন্য প্রথমে ৪ জন সুস্থ মানুষের শরীরে ভ্যাকসিন প্রয়োগ করা হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের এনআইএইচ ইন্ট্রামুরাল রিসার্চ প্রোগ্রাম ও ক্যামব্রিজ ইউনিভার্সিটির একটি গবেষক দল প্রথমে ৪৫ জন তরুণ ও সুস্থ স্বেচ্ছাসেবকদের মধ্যে এ ভাইরাসের পরীক্ষামূলক ডোজ দিয়ে টেস্ট করবে। যেহেতু তারা সুস্থ ও নিজেদের মধ্যে এ ভাইরাস নেই এজন্য সংক্রমিত হওয়ার কোনও সম্ভাবনা নেই। বৃহৎ আকারে এ পরীক্ষার মধ্যে দিয়ে দেখা হবে, ভ্যাকসিনটি উদ্বেগজনক কোনো পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেখায় কিনা। একমাসে পরীক্ষামূলকভাবে দুইটি ডোজে ভ্যাকসিন প্রয়োগ করা হবে ৪৫ জনের শরীরে।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের ডাঃ অ্যান্টনি ফৌসি বলেন, গবেষণাটি ঠিকঠাক থাকলেও ১২ থেকে ১৮ মাসের মধ্যে ভ্যাকসিনটি ব্যবহারের জন্য পাওয়া যাবে না। এর জন্য সময়ের প্রয়োজন।

নারীর স্তনবৃন্ত সম্পর্কে ৮ অজানা তথ্য, যা হয়তো চিন্তাও করেননি

স্তনের আকার ও আয়তন এক এক শরীরে একেক রকম হয়। ঠিক তেমনই স্তনবৃন্তও বিভিন্ন ধরনের হয়। অনেক সময় এই স্তনবৃন্ত দেখেই বোঝা যায় নারী-শরীরে ক্যানসার বা অন্য কোনও রোগ বাসা বেঁধেছে কি না।

স্তনবৃন্ত বলতে যা বোঝায় তার দু’টি অংশ রয়েছে, এরিওলা এবং নিপলস। নিপলস বা স্তনবৃন্ত সব নারী-শরীরে একই রকম হয় না। নীচে রইল স্তনবৃন্ত সম্পর্কে ৮টি তথ্য যা হয়তো জানতেন না—

১) কেশজ : স্তনবৃন্তের আশপাশে ছোট ছোট রোম বা কেশ থাকা খুবই কমন প্রাপ্তবয়স্ক মহিলাদের মধ্যে। তবে যাঁদের পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোম রয়েছে তাঁদের স্তনবৃন্তে কেশ থাকে বেশি।

 নেশার কারণেই অসম্পূর্ণ থেকে গেল প্রেম, রইল সেই গল্প

২) তৃতীয় বৃন্ত : বিশ্বাস না হলেও সত্যি। নারী শরীরে অনেক সময়েই থার্ড নিপল বা তৃতীয় বৃন্ত দেখা যায়। তবে এই তৃতীয় বৃন্তটি সব সময় বুকেই না-ও থাকতে পারে। অনেক সময়েই এই তৃতীয় বৃন্তটি মুখে অথবা শরীরের অন্য অংশেও দেখা যায়। এটি অত্যন্ত বিরল ঘটনা তবে ঠিক কী কারণে এটি হয় তা এখনও জানা যায়নি।

৩) বাম্পস : স্তনবৃন্তের উপরে ছোট ছোট বাম্পস থাকে যা একেবারেই স্বাভাবিক। এগুলি হল মন্টগোমারি গ্ল্যান্ডস। এই গ্ল্যান্ড থেকেই এক ধরনের তেল নিঃসৃত হয় যা স্তনবৃন্তকে নরম রাখে।

৪) ইনভার্টেড : স্তনবৃন্তে স্পর্শ করলে তা জেগে ওঠে কারণ বেশিরভাগ নারী-শরীরে স্তনবৃন্ত বহির্মুখী। কিন্তু অনেকের শরীরেই তা অন্তর্মুখী। যাঁদের অন্তর্মুখী স্তনবৃন্ত থাকে তাঁদের স্তন্যদান করতে সমস্যা হয়। নিয়মিত ব্রেস্ট মাসাজ করলে এই সমস্যা দূর হতে পারে।

৫) দীর্ঘ : অনেক নারী-শরীরেই স্তনবৃন্ত স্বাভাবিকের থেকে বেশি দীর্ঘ হয়। এই ধরনের স্তনবৃন্ত স্তন্যদানের পক্ষে আদর্শ।

৬) বিরাট : অনেক সময়ই অ্যারিওলা অনেকটা ছড়ানো হয়। অ্যারিওলা ব্যাসার্ধে কতটা বড় হবে তা স্তনের আকার-আয়তনের উপর নির্ভর করে না। অনেক সময়ে ছোট স্তনের ক্ষেত্রেও অ্যারিওলা বড় হতে পারে যা একেবারেই স্বাভাবিক।

৭) ছোট : অ্যারিওলা, স্তনবৃন্ত এবং স্তনের আকার-আয়তন কেমন হবে তা অনেকটাই জিনগত। অনেক নারী-শরীরেই স্তনের আকার ছোট হয়। পাশাপাশি অ্যারিওলা এবং নিপলও অপেক্ষাকৃত ছোট হয়। জিনগত কারণ ছাড়াও কিশোরী বয়সে ঠিকমতো পুষ্টির অভাব বা হরমোন নিঃসরণ কম হলেও এমনটা হতে পারে।

৮) স্ফীত : স্তনবৃন্ত উত্তেজিত হলে তা দীর্ঘ হয়। কোনও কোনও নারী-শরীরে দীর্ঘায়ত স্তনবৃন্ত স্বাভাবিকের তুলনায় অনেকটা বেশি স্ফীতও দেখায়। এর পিছনেও জিনগত কারণ রয়েছে এবং এটিও একেবারেই স্বাভাবিক।

Facebook Comments Box

Related Articles

- Advertisement -

Latest Articles

Facebook Comments Box